আন্তর্জাতিক নকআউট টুর্নামেন্টে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স দেখে খেলোয়াড় কেনার সিদ্ধান্ত সবসময় যে ভালো হয় না, আবারও প্রমাণিত। সবাই কেয়লর নাভাস বা মেসুত ওজিল হতে পারেন না, অধিকাংশই এল-হাজি দিউফ বা আসামোয়াহ জিয়ানের পথ ধরেন।
মরক্কোর কথাই ধরুন। গত বিশ্বকাপের সারপ্রাইজ প্যাকেজ দলটার প্রাণ ছিল মাঝমাঠে – সোফিয়ান আমরাবাত, আজেদিন উনাহি ও সেলিম আমাল্লার মাঝমাঠে হাঁসফাঁস করে একে একে বিদায় নিয়েছিল বুসকেতস-পেদ্রিদের স্পেইন বা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল।
কিন্তু এরপর? যথারীতি টানাটানি শুরু হলো সবাইকে নিয়ে। ফিওরেন্তিনা থেকে এক মৌসুমের ধারে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে আসেন সোফিয়ান আমরাবাত, ধারে আধা মৌসুম ভ্যালেন্সিয়ার মতো ক্লাবে খেলে যান সেলিম আমাল্লাও। সবচেয়ে বেশি মাতামাতি হওয়া আজেদিন উনাহি টটেনহ্যামে যাচ্ছি, যাবো করতে করতে যোগ দেন মার্শেইতে।

এক বছর যেতে না যেতেই প্রথম দুজন ফিরেছেন নিজ নিজ ‘প্যারেন্ট ক্লাব’-এ। জাতীয় দলের পারফরম্যান্স ক্লাবে অনূদিত না করতে পারার ব্যর্থতা মাথায় নিয়ে ধার চুক্তিকে পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে রূপ দিতে পারেননি। এমনকি, প্যারেন্ট ক্লাবও যে তাঁদের রাখতে চাইছে, ব্যাপারটা অমন না। উনাহিই যেমন – মার্শেইয়ের নতুন কোচ রবের্তো দে জারবির পরিকল্পনায় তেমন নেই। খুঁজছেন নতুন ক্লাব।
অথচ এ তিনজন কী দুর্দান্তই না খেলেছিলেন বিশ্বকাপে!