‘যাও, জন চার্লসের মতো হেড করে একটা গোল দিয়ে এসো!’
সেবার গোটা মৌসুমে হেড করে একটা গোলও করেননি। জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ খেলবেন, মাসখানেক আগে সে স্বপ্নটাও ভালো করে দেখেননি। কীভাবে দেখবেন? জাতীয় দলে ততদিনে রবের্তো ব্যাজ্জো, জানলুকা ভিয়াল্লি, রবের্তো মানচিনি, আন্দ্রেয়া কারনেভালে আর আলদো সেরিনাদের ছড়াছড়ি।
কোচ আজেইলিও ভিসিনি তাও কী জানি একটা দেখেছিলেন সালভাতোরে স্কিলাচি’র মধ্যে। হতে পারে সেটা গোলক্ষুধা। বা উন্নতির স্পৃহা। বা কিছু করে দেখিয়ে দেওয়ার প্রয়াস।
অথবা তিনটিই।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রিয়ার জমাট রক্ষণভাগের সামনে মাথা কুটে মরছিলেন ভিয়াল্লি আর কারনেভালে। বেঞ্চে ব্যাজ্জো, তাও ভিসিনি’র চোখ গেলো স্কিলাচির দিকেই। প্রথমে বিশ্বাসই হয়নি স্কিলাচির। পরে জুভেন্টাস-সতীর্থ স্তেফানো তাক্কোনি’র ডাকে সম্বিৎ ফেরে।
‘যাও, জন চার্লসের মতো হেড করে একটা গোল দিয়ে এসো!’
স্কিলাচি কথা রেখেছিলেন। শুধু এক ম্যাচে না – গোটা বিশ্বকাপেই। টাইব্রেকার নামের ভাগ্যের খেলায় হেরে না গেলে গোল্ডেন বল-বুটের পাশাপাশি সেবার বিশ্বকাপটাও চুমো খাওয়ার সৌভাগ্য হতো যার।
তবে বিশ্বকাপ না পাওয়ায় তেমন কোনো ক্ষতিবৃদ্ধি হয়নি স্কিলাচি’র। অমর হওয়ার কাজটা যে বিশ্বকাপের ওই তিন সপ্তাহেই করে রেখেছিলেন!