বিশ্বজয়ী কোচদের বিশ্বজয়ের ফর্মুলা

যেকোন কোচই নিজের দলকে একটা নিজস্ব স্টাইলে খেলাতে চান, যে স্টাইলটা তাঁর দলকে ম্যাচ ও সর্বোপরি ট্রফি জেতাতে সাহায্য করে। বিশ্বকাপজয়ী বিভিন্ন দলের কোচদেরও রয়েছে এরকম বিভিন্ন নিজস্ব স্টাইল ও ফর্মেশন!

ফুটবল খেলার অন্যতম আকর্ষণীয় বিষয় হল ফর্মেশন। যেকোন দলের ম্যানেজারই তাঁর দলকে নির্দিষ্ট একটা সিস্টেমে, নির্দিষ্ট একটা ধরণে খেলাতে পছন্দ করেন যে ধরণ বা স্টাইলটা তাঁর নিজস্ব ফুটবলীয় দর্শনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যেকোন খেলার স্টাইল বা ধরণ নিয়ত পরিবর্তনশীল, আর সে খেলাটা ফুটবল হলে তো কথাই নেই! প্রতিনিয়ত এখানে একেকজন ম্যানেজার একেকটা ফর্মেশন উদ্ভব করছেন, একেকটা স্টাইল ব্যবহার করছেন।

বলা বাহুল্য, ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর ফুটবল বিশ্বকাপ হল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দলের কোচের নানান স্টাইলের সবচেয়ে বড় প্রদর্শনী। আসছে রাশিয়া বিশ্বকাপেও এর ব্যতিক্রম হবেনা। এক কোচ তাঁর দলের ফর্মেশান, খেলার ধরণ দিয়ে ঘায়েল করার চেষ্টা করবেন প্রতিপক্ষ কোচকে। রাশিয়া বিশ্বকাপের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আসুন জেনে নেওয়া যাক আধুনিক ফুটবলে যেসব জাতীয় দল বিশ্বসেরা হয়েছে। তাদের সাফল্যের পেছনে কোন ফর্মেশন বা স্টাইলটা ফর্মুলা হিসেবে কাজ করেছিল!

  • ১৯৭৪ বিশ্বকাপ (বিজয়ী দল – পশ্চিম জার্মানি)

১৯৭০ সালে সর্বোচ্চ তিনবার জিতে পাকাপাকিভাবে তৎকালীন জুলে রিমে ট্রফিকে নিজেদের করে নেয় পেলের ব্রাজিল, এই জুলে রিমে ট্রফিই হল বর্তমানের ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফির পূর্বরূপ। ১৯৭৪ সাল থেকে এই নতুন বিশ্বকাপ ট্রফির যুগ শুরু হবার সেই সময়টাকে আমরা ফুটবলের আধুনিক যুগ হিসেবে অভিহিত করতে পারি। সেই নতুন বিশ্বকাপ ট্রফিটা সবার আগে নিজেদের করে নিয়েছিল ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ারের পশ্চিম জার্মানি। বেকেনবাওয়ারদের গুরু, তৎকালীন পশ্চিম জার্মানির ম্যানেজার হেলমুট শোন সেই বিশ্বকাপে বেকেনবাওয়ারদের খেলালেন ৪-৩-৩ এর আক্রমণাত্মক ফর্মেশনে, ফাইনালে ডাচদের “টোটাল ফুটবল” এর অহম ধ্বংস হল তাতেই। গোলরক্ষকের সামনে দুইজন সেন্টারব্যাক, সেন্টারব্যাকের দুইপাশে দুইজন ফুলব্যাক, দুইজন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার, একজন অপেক্ষাকৃত আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার, সামনে থাকা একজন প্রথাগত স্ট্রাইকারের দু’পাশে দুইজন উইঙ্গার – ব্যস। ইয়োহান ক্রুইফ-রাইনাস মিশেলস জুটির কাছে এই জার্মান স্টাইলের জবাব জানা ছিল না। ম্যাচ শুরু দুই মিনিটের মাথায় ইয়োহান নিসকেন্সের কাছে গোল খেলেও পরবর্তীতে জার্মান মিডফিল্ডার পল ব্রাইটনার আর স্ট্রাইকার জার্ড মুলার গোল করে শিরোপা এনে দেন পশ্চিম জার্মানদের।

  • ১৯৭৮ বিশ্বকাপ (বিজয়ী দল – আর্জেন্টিনা)

নিজেদের ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ ট্রফি সেবারই প্রথম জিতে নেয় আকাশী-সাদারা। ডাচ দলের টোটাল ফুটবল আর বেকেনবাওয়ারদের যান্ত্রিক ফুটবলের সুবাদে ৪-৩-৩ ফর্মেশনের জনপ্রিয়তা তখন তুঙ্গে। আর্জেন্টিনার কোচ সেজার লুইস মেনোত্তি সেই জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়তে দিতে চাইলেন না। প্যাসারেলা, কেম্পেস, আর্দিলেস দের খেলালেন ৪-৩-৩ ফর্মেশনেই। এই ফর্মেশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিলেন এই প্যাসারেলা আর কেম্পেস, মিডফিল্ড থেকে প্রায়ই উপরে উঠে গিয়ে ডিবক্সে গোল করে আসার কারণে কেম্পেস ছিলেন ভয়ঙ্কর, আর ওদিকে সেটপিস পেলেই ড্যানিয়েলা প্যাসারেলার দিকে একটু বিশেষ নজর রাখতে হত প্রতিপক্ষ দলগুলোর, হেডে দুর্দান্ত গোল করতে পারতেন যে! ইয়োহান ক্রুইফ বিহীন ডাচরা বধ হল এবারো। 

  • ১৯৮২ বিশ্বকাপ (বিজয়ী দল – ইতালি)

পরপর দুই বিশ্বকাপে ৪-৩-৩ ফর্মেশনের জয়জয়কার দেখে এই বিশ্বকাপে বিভিন্ন দলের কোচেরা আপাতদৃষ্টিতে অজেয় এই ফর্মেশনের ফাঁকফোকর বের করে ফেললেন। যার ফলে ৪-৩-৩ ফর্মেশনে খেলা দলগুলোর কেউই সেবার শিরোপা জিততে পারলো না। আগের বারের বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা বাদ পড়ে গেল দ্বিতীয় রাউন্ডেই, পশ্চিম জার্মানি বধ হল ফাইনালে। আর ওদিকে হল্যান্ড তো খেলারই সুযোগ পায়নি সেবার। ফাইনালে ইতালি পশ্চিম জার্মানিকে হারিয়ে তাদের ইতিহাসের তৃতীয় বিশ্বকাপ জিতে নেয়। জার্মানির ৫-২-৩ বা ৩-৪-৩ ফর্মেশনকে ইতালি কোচ এনজো বিয়ারজোত পরাস্ত করেন রক্ষণাত্মক ৫-১-৩-১ ফর্মেশনে দলকে খেলিয়ে। রাইট উইংব্যাক পজিশনে ইন্টার মিলানের কিংবদন্তী জিউসেপ্পে বার্গোমি আর জুভেন্টাসের দুই কিংবদন্তী সেন্টারব্যাক গায়েতানো চিরেয়া আর ক্লদিও জেন্টাইল ছিলেন দলের মূল ভিত্তি। দুই উইংব্যাক বার্গোমি আর ক্যাব্রিনি যন্ত্রের মত পুরো ম্যাচ ওঠানামা করতেন মাঠের দুই প্রান্তে, আর মাঝে তিন সেন্টারব্যাকের বজ্র আঁটুনি। দুই সেন্টারব্যাক জেন্টাইল আর কোলোভাতির ফাঁক গলে বল গোলরক্ষকের সামনে যাতে চলে না আসে এজন্য দুইজনের মাঝে তৃতীয় সেন্টারব্যাক বা সুইপারের ভূমিকা পালন করতেন চিরেয়া। সাথে উপরে এএস রোমার ব্রুনো কন্তি, জুভেন্টাসের মিডফিল্ডার মার্কো তারদেইয়ি ও স্ট্রাইকার পাওলো রসি – ব্যস, ইতালির বিশ্বজয়ের ফর্মুলা এটাই!

  • ১৯৮৬ বিশ্বকাপ (বিজয়ী দল – আর্জেন্টিনা)

মাঝে একবার ইতালি বেড়াতে গিয়ে এবার আবারো বিশ্বকাপ ট্রফি ফিরে এলো ডিয়েগো ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনায়। আগেরবার ইতালি যেরকম তিন সেন্টারব্যাক নিয়ে বিশ্বজয় করেছে, এবার কার্লোস বিলার্দোর আর্জেন্টিনাও সে কাজটাই করতে চাইলো। এবং বলা বাহুল্য, পশ্চিম জার্মানিকে হারিয়ে সফলও হল। মোটামুটি ৩-৫-২ বা ৩-১-৪-২ ফর্মেশনে খেলা এই দলের মূল খেলোয়াড় অবিসংবাদিতভাবেই ছিলেন ম্যারাডোনা, সাথে ডিফেন্সে অস্কার রুগেরি, মিডফিল্ডে হোর্হে বুরুচাগা আর স্ট্রাইকার হিসেবে হোর্হে ভালদানো। মূলতঃ এই দলকে প্রায়ই ম্যাচ জেতার জন্য ম্যারাডোনার উপরে নির্ভরশীল থাকতে হত, যেমনটা এখন মেসির উপর নির্ভরশীল থাকে দলটা! 

  • ১৯৯০ বিশ্বকাপ (বিজয়ী দল – পশ্চিম জার্মানি)

১৯৭৪ বিশ্বকাপের পর সেবার আবারো পাদপ্রদীপের আলোয় চলে আসে পশ্চিম জার্মানরা, ফাইনালে মুখোমুখি হয় সেই আগের বারের ঘাতক ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনার সাথে। কিন্তু এবার আর নিহত নয়, হন্তারকের ভূমিকাতেই অবতীর্ণ হয় ম্যাথাউস, ব্রেহমে, রুমেনিগের পশ্চিম জার্মানি। আর সে কাজটাও তারা করে আর্জেন্টিনার সেই ৩-৫-২ ফর্মেশন ব্যবহার করেই, বিষে বিষক্ষয় যাকে বলে আরকি! খেলোয়াড় হিসেবে জেতার পর ম্যানেজার হিসেবেও বিশ্বকাপ জেতার বিরল কৃতিত্ব গড়েন “ডার কাইজার” ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার!

  • ১৯৯৪ বিশ্বকাপ (বিজয়ী দল – ব্রাজিল)

সেই ১৯৭০ সালের পর থেকে পরবর্তী ২৪ বছর বিশ্বকাপের ছোঁয়াই পাচ্ছিল না টুর্নামেন্টের ইতিহাসের সবচেয়ে সফল দলটা। যেকোন ব্রাজিল দলেরই পরিচায়ক যে ছন্দময় ফুটবল, সেই ছন্দময় ফুটবলের গলা টিপে কিভাবে ধরতে হয়, তা শিখে গিয়েছিল ইতালি, আর্জেন্টিনা ও জার্মানির মত দলগুলো। ফলে নিজেদের বহুলচর্চিত “জোগো বোনিতো” বা সুন্দর ফুটবলের ছায়াতল থেকে সরে এসে ব্রাজিল কোচ কার্লোস আলবার্তো প্যারেইরা এমন একটা দল গড়ে তোলেন সেই বিশ্বকাপের জন্য, যার মূল লক্ষ্য ছিল সুন্দর ফুটবল খেলা না, বরং যে করেই হোক ম্যাচ জয় করা। এবং সে স্টাইলের সুফল তারা টুর্নামেন্ট শেষে পেয়েছেও। পুরো টুর্নামেন্টেই ব্রাজিল খেলে যায় ৪-৪-২ ফর্মেশনে, যে ফর্মেশনটা ফুটবলের বিভিন্ন স্টাইলের মধ্যে (বিশেষ করে ইউরোপিয় দলগুলোর মধ্যে) সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত ও জনপ্রিয়। দলের অধিনায়ক দুঙ্গা কখনই অত সুন্দর ফুটবলের পূজারী ছিলেন না, ফলে তাঁর দলও মোটামুটি সেই মানসিকতারই ছিল, এক রোমারিও ছাড়া! ফাইনালে রবার্তো ব্যাজিওর ইতালিকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয় দুঙ্গার ব্রাজিল।

  • ১৯৯৮ বিশ্বকাপ (বিজয়ী দল – ফ্রান্স)

সেবারই প্রথম বিশ্ব ৪-৩-২-১ ফর্মেশনের সার্থক প্রয়োগ দেখে। ফরাসী কোচ আইমে জ্যাকের তুরুপের তাস ছিলেন জিনেদিন জিদান। জিদানকে মূল স্ট্রাইকারের পিছনে প্লে-মেকার হিসাবে খেলাতেন জ্যাক, আর পুরো চারজনের ডিফেন্সকে আগলে রাখতেন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার দিদিয়ের দেশম, যাতে কোনভাবেই বল ডিফেন্স পর্যন্ত না যেতে পারে। এই দুইজনের সাথে লিলিয়ান থুরাম, মার্সেল দেজাইলি প্রমুখ খেলোয়াড়দের কার্যকারিতায় প্রথম বিশ্বকাপ জেতে ফ্রান্স, ব্রাজিল কে হারিয়ে।

  • ২০০২ বিশ্বকাপ (বিজয়ী দল – ব্রাজিল)

ব্রাজিল কোচ লুই ফেলিপে স্কলারির কল্যাণে সেবার বিশ্ব আবারো ৩-৫-২ ফর্মেশনের জয়জয়কার দেখলো। তবে চমক জাগানিয়া ব্যাপার হল, টুর্নামেন্ট শুরুতে তথৈবচ অবস্থায় থাকা ব্রাজিলকে ৩-৫-২ ফর্মেশনে খেলানোর কথা ঘুণাক্ষরেও ভাবেননি স্কলারি! তাঁর মাথাতেই ছিল ৪-৩-৩ ফর্মেশান, যে ফর্মেশনের সামনে খেলবেন তিন ‘আর’ – রোনালদো, রিভালদো ও রোনালদিনহো। কিন্তু অনুশীলনে চোট পেয়ে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার এমারসনের বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যাওয়ার ফলে দলের পুরো ফর্মেশনই পরিবর্তন করে ফেলেন স্কলারি, দলে নিয়ে আসেন একটা অতিরিক্ত সেন্টারব্যাক। তিন সেন্টারব্যাকের দু’পাশে দুই কালজয়ী ফুলব্যাক কাফু আর রবার্তো কার্লোস, মাঝে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে খেলতেন জিলবার্তো সিলভা, ক্লেবারসন আর জুনিনহোর মধ্যে যেকোন দু’জন। একটা অতিরিক্ত সেন্টার‍্যাক আর দুইজন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার খেলানোর কারণে হল কি, দল এমারসনের অভবাটা বুঝতে পারলো না, ওদিকে রোনালদো, রিভালদো আর রোনালদিনহো রক্ষণের চিন্তা না করেই নিজেদের মত আক্রমণে মন দিতে পারলেন। ফলাফল? ব্রাজিলের পঞ্চম শিরোপা!

  • ২০০৬ বিশ্বকাপ (বিজয়ী দল – ইতালি)

এই বিশ্বকাপ আবারো দেখলো বহুলচর্চিত ৪-৪-২ ফর্মেশনের সাফল্য। বিখ্যাত ইতালিয়ান ডিফেন্সের সামনে অলস জাদুকর আন্দ্রেয়া পিরলো সেন্ট্রাল মিডফিল্ড থেকে পাসের ফুলঝুরি ছোটাতেন, আর পিরলো যাতে স্বাভাবিক খেলা খেলে যেতে পারেন সেটা পাশে থেকে নিশ্চিত করতেন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার জেনারো গাত্তুসো। আর পিরলোর ডিফেন্সচেরা বুদ্ধিদীপ্ত একেকটা পাস নিয়েই প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতেন লুকা টনি, ফ্র্যান্সেসকো টট্টির মত স্ট্রাইকাররা। 

  • ২০১০ বিশ্বকাপ (বিজয়ী দল – স্পেইন)

সম্পূর্ণ আলাদা এক ঘরানার দিগ্বিজয়ী ফুটবল খেলার সাফল্য সেবার পায় স্পেইন। স্পেইনের ঘরোয়া লিগে তখন পরাশক্তি ক্লাব বার্সেলোনার জয়জয়কার, বার্সা কোচ পেপ গার্দিওলা তখন ৪-৩-৩ ফর্মেশনে লিওনেল মেসি নামক একজন উইঙ্গারকে স্ট্রাইকার হিসেবে খেলিয়ে জিতে যাচ্ছেন একের পর এক শিরোপা। স্পেইন জাতীয় দলের কোচ ভিসেন্তে দেল বস্ক তাই এই নিশ্চিত সাফল্যের ফর্মুলাটা হাতছাড়া করতে চাইলেন না। মূল একাদশে রাখলেন বার্সেলোনার একাধিক খেলোয়াড় – জাভি, ইনিয়েস্তা, পুয়োল, পিকে, বুসকেটস, পেদ্রো, ডেভিড ভিয়া ইত্যাদি। বার্সেলোনার ঐ স্টাইলে খেলার ফলও পেলেন হাতেনাতে, স্পেইন ঘরে তুললো তাদের ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ!

  • ২০১৪ বিশ্বকাপ (বিজয়ী দল – জার্মানি)

গত বিশ্বকাপে জার্মানির সাফল্যের ফর্মুলা ছিল ৪-২-৩-১ ফর্মেশন। ইউরোপে বিভিন্ন লিগে এই ফর্মেশন মোটামুটি হোসে মরিনহোর কল্যাণে ২০০৪ থেকে অনেক জনপ্রিয় থাকলেও বিশ্বমঞ্চে এই ফর্মেশনের সফলতা দেখা যায় ২০১৪ সালে, জার্মানির হাত ধরে। মোটামুটি কার্যকরী এই ফর্মেশনের সাথে জার্মানদের চিরাচরিত হার-না-মানা মানসিকতা, নিজেদের ইতিহাসের চতুর্থ বিশ্বকাপটা জার্মানি কোচ জোয়াকিম লো জেতেন এভাবেই! 

*২০১৮ ফুটবল বিশ্বকাপের আগে দৈনিক প্রথম আলো-তে প্রকাশিত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Post

Got a PROJECT

IN MIND?

©2024 Nishat Ahmed Zishan, All Rights Reserved.

Developed by Asif Mollik